Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped


Title
সেবায় কিশোরগঞ্জ জেলায় সেরা বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
Details

সেবায় কিশোরগঞ্জ জেলায় সেরা বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

মো. ফারুক
কিশোরগঞ্জ জেলায় ২০২৩ সালের স্বাস্থ্য সেবায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৩ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ তালিকায় বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রথম হয়েছে। বিভিন্ন পারফরমেন্সের উপর সকল উপজেলাকে পুরস্কৃত করা হয়। এর মধ্যে বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩টি পুরস্কার লাভ করে। এগুলো হলো যক্ষার কার্যক্রমে প্রথম স্থান, ভায়া স্ক্যানিংয়ে প্রথম এবং সার্বিক রিপোর্টে জেলায় প্রথম স্থান অর্জন।
আজ বুধবার (২৪ জানুয়ারি) কিশোরগঞ্জ সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলনে কক্ষে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগীয় মাসিক সমন্বয় সভায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিভিল সার্জন ডা. মো. সাইফুল ইসলাম। বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. সিনথিয়া তাসমিনের হাতে পুরস্কারের ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন সিভিল সার্জন ডা. সাইফুল ইসলাম।
এ সময় ১৩ উপজেলার স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তাসহ অন্যান্য কর্মকর্তা এবং সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন ডাঃ এস এম তারেক আনাম।
এ পুরস্কার অর্জন করায় ডা. সিনথিয়া তাসমিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত সকল চিকিৎসক, সিনিয়র স্টাফ নার্স, এমটি (ল্যাব, ডেন্টাল, রেডিও), অফিস স্টাফ, স্যাকমো, সকল স্বাস্থ্যকর্মী, সিএইচসিপি, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারিসহ সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং সেবার মান অক্ষুন্ন রাখতে সকলের অব্যাহত সহযোগিতা চান।
উল্লেখ্য, গত বছরের মে মাসে সেবার মান উন্নয়ন ও সার্বিক বিষয় জরিপে ‘হেলথ সিস্টেম পারফরমেন্সে’ কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি দেশের ৪২৫ উপজেলার মধ্যে সেরা ১০ এ স্থান পেয়ে দেশব্যাপী আলোচিত হয়।
জানা যায়, হাসপাতালটির সার্বিক পরিবর্তন আসে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সিনথিয়া তাসমিন যোগদানের পর থেকে। তিনি যোগদানের পর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটির সার্বিক অবকাঠামোর সৌন্দর্য বৃদ্ধি, নিয়ম-শৃঙ্খলার উন্নতি ও সেবার মানে ব্যাপক পরিবর্তন আসে।
বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। উপজেলার সাড়ে ৩ লক্ষ মানুষের চিকিৎসার চাহিদার প্রয়োজনে ২০১৮ সালে ৩১ শয্যা হাসপাতালটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে রূপান্তর করা হয়।
গত ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এক প্রসূতি মায়ের সিজারিয়ানের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো অস্ত্রোপচার কার্যক্রম চালু করা হয়।

Attachments
Publish Date
24/01/2024
Archieve Date
31/01/2056