তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসক সংকট সীমিত জনবল ও করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ সেবায় ভূমিকা অসামান্য।
জানাগেছে, কিশোরগন্জ জেলা সদর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি কে ২০১১সালে ৩১ শয্যা হাসপাতাল থেকে ৫০ শয্যায় রুপান্তর হলেও জনবল কাঠামোতে আসেনি কোন পরিবর্তন।
আর তাই সীমিত জনবলে বহিঃ বিভাগ, অন্তঃ বিভাগ ও জরুরী বিভাগ এর ২৪ ঘন্টা নিবিড় পরিসেবার মধ্যেই চলছে।
ধনী দরিদ্র সকল শ্রেণী পেশার মানুষ এর প্রাথমিক আশ্রয়স্হল হিসেবে পরিগণিত হয়ে উঠতে চলেছে।
জানুয়ারী /২০২৩ হতে মার্চ/ ২০২৩ পর্যন্ত ৬ টি রুটিন ডেলিভারি ও ১২ টি জরুরী সিজারিয়ান সেকশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
স্বল্প মূল্যে ১৭ ধরনের প্যাথলজীকেল পরীক্ষার আয়োজনও আছে এ হাসপাতালটিতে।
এনসিডি কর্ণারে ২৯৬৬ রোগী উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগীদের দীর্ঘ মেয়াদী ঔষধ প্রদান, আই এম সি আই কর্ণারে ৫ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের চিকিৎসা ও পুষ্টি পরামর্শ প্রদান ভায়া ও সিবিই কর্ণারে জরায়ু ও ব্রেস্ট ক্যান্সার স্ক্রিনিং টেস্ট হচ্ছে নিয়মিত।
রয়েছে প্রসূতী সেবায় এন্টিনেটাল ও পোষ্ট নেটাল কেয়ার সার্ভিস, জরুরী রোগীদের অন্যএ রেফার্ড হলে রয়েছে সরকারী এম্বুলেন্সের ব্যবস্হাও। শিশুবান্ধব ডে কেয়ার সার্ভিস। এডোলোসেন্ট হেলথ্ কর্নার।
এসবই সঠিক ব্যবস্হাপনার ও সেবা নিশ্চিত করার পিছনে সার্বক্ষনিক নিবিড় তত্ত্বাবধান করা সহ মূল অনুঘটক হিসেবে নিরলসভাবে ভূমিকা রেখেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আলমাস হোসেন।
টেকসই লক্ষমাত্রা অর্জনে স্বাস্হ্য বিভাগীয় সকল সূচক অনুযায়ী পরিকল্পনা করে কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
পরিছন্নতা কর্মীর পদে লোকবল নিয়োগ ও এক্সরে মেশিন সহ জনবল ও ১০০ শয্যায় রুপান্তরের জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উর্ধতন কর্তৃপক্ষের যৌক্তিক দৃষ্টিভংগী আকর্ষণ করেছেন।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস